ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসে মূসক ৯.১ দাখিল করতে হয় — পরের মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে — এমনকি যে মাসে কিছুই বিক্রি হয়নি সেই মাসেও।
রিটার্নে জানাতে হয় আপনি কত বিক্রি করেছেন, তার উপর কত ভ্যাট আদায় করেছেন, সরবরাহকারীদের কত ভ্যাট দিয়েছেন, এবং এর পার্থক্য — সেটিই NBR-কে দিতে হয়, অথবা উপকরণ কর বেশি হলে পরের মাসে নিয়ে যাওয়া হয়।
যে মাসের হিসাব দিচ্ছেন তার পরের মাসের ১৫ তারিখ। জানুয়ারির রিটার্ন ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। ১৫ তারিখ সরকারি ছুটি হলে পরবর্তী কর্মদিবস। দেরিতে দাখিলে সুদ ও জরিমানা হয়, তাই দেরিতে নিখুঁত রিটার্নের চেয়ে সময়মতো অসম্পূর্ণ রিটার্ন ভালো।
বিক্রি না হলেও সেই মাসের রিটার্ন দিতে হয় — শূন্য রিটার্ন। বাদ পড়া মাসগুলোই ছোট সমস্যাকে ব্যয়বহুল করে তোলে, কারণ জরিমানা টাকার হিসাবে নয়, রিটার্ন হিসাবে বাড়ে।
PoedApp-এর ভ্যাট রিটার্ন রিপোর্ট যেকোনো মাসের প্রথম দুটি হিসাব হার অনুযায়ী যোগ করে দেয়, ফলে রিটার্নের বিক্রির অংশটি ক্যালকুলেটর নিয়ে সারা সন্ধ্যার কাজ না হয়ে একটি স্ক্রিন হয়ে যায়। ক্রয়ের হিসাব ততটাই সম্পূর্ণ যতটা আপনি লিখে রেখেছেন — সরবরাহকারীর বিল আসার সঙ্গে সঙ্গে তোলার আসল কারণ এটিই।
রিটার্ন অনলাইনে vat.gov.bd-তে দাখিল করা হয়। অনেক ছোট দোকান প্রথম কয়েক মাস ভ্যাট পরামর্শক দিয়ে করিয়ে নেয়, তারপর দেখে শিখে নিজেরাই করে — শেখার এটি একটি যুক্তিসঙ্গত উপায়।
এটি সহজ ভাষায় লেখা একটি নির্দেশিকা, কর পরামর্শ নয়। ভ্যাটের হার, সীমা ও ফরম প্রতি বছরের অর্থ আইনে বদলায়। আপনার প্রদেয় অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় কাজে লাগানোর আগে NBR (nbr.gov.bd), আপনার স্থানীয় ভ্যাট অফিস বা একজন ভ্যাট পরামর্শকের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়ে নিন।
সর্বশেষ হালনাগাদ 1 অক্টোবর, 2026